দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বিরুদ্ধে ২০১৯ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) এক নারী শিক্ষার্থীর ল্যাপটপ চুরির অভিযোগ তুলেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন। তার দাবি, ছাত্র ফেডারেশনের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকার সময় ওই অভিযোগের পর তদন্ত করে নাসীরুদ্দীনকে সংগঠন থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছিল।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে এসব দাবি করেন রাশেদ খাঁন। নিজের দাবির সমর্থনে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বহিষ্কারসংক্রান্ত বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনের একটি পুরোনো নোটিশের ছবিও পোস্টের মন্তব্যের ঘরে যুক্ত করেন তিনি।
রাশেদ খাঁনের দাবি, ২০১৯ সালে ছাত্র ফেডারেশনের রাজনীতিতে যুক্ত থাকার সময় ঢাবির এক নারী শিক্ষার্থীর ল্যাপটপ চুরির অভিযোগ ওঠে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বিরুদ্ধে। ওই শিক্ষার্থীর অভিযোগের পর ছাত্র ফেডারেশনের তৎকালীন দায়িত্বশীল নেতারা একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেন। তদন্ত কমিটি বিভিন্ন তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ করে অভিযোগের সত্যতা পায় বলে দাবি করেন রাশেদ খাঁন। এরপর নাসীরুদ্দীনকে ছাত্র ফেডারেশন থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয় বলেও জানান তিনি।
রাশেদ খাঁন আরও দাবি করেন, ওই ঘটনার পর নাসীরুদ্দীন কিছু সময় রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকে নিষ্ক্রিয় ছিলেন। পরে এবি পার্টিতে যোগ দেওয়ার মাধ্যমে আবার সক্রিয় হন। তবে সে সময় এবি পার্টির নেতাকর্মীরা নাসীরুদ্দীনের বিরুদ্ধে ওঠা ল্যাপটপ চুরির অভিযোগ সম্পর্কে জানতেন না বলেও দাবি করেন তিনি।
পোস্টের শেষাংশে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড ও বক্তব্য নিয়ে সমালোচনা করেন রাশেদ খাঁন। এ সময় তিনি নাসীরুদ্দীনের বিরুদ্ধে অন্য একটি চুরির অভিযোগের প্রসঙ্গও টানেন এবং তাকে নিয়ে কটূক্তিমূলক মন্তব্য করেন।
তবে রাশেদ খাঁনের উত্থাপিত ল্যাপটপ চুরির অভিযোগের বিষয়ে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। একই সঙ্গে তার পোস্টে যুক্ত পুরোনো নোটিশের বাইরে অভিযোগের স্বাধীন যাচাই বা তৎকালীন তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন প্রকাশ্যে পাওয়া যায়নি। ফলে বিষয়টি রাশেদ খাঁনের দাবি হিসেবেই উপস্থাপন করা হচ্ছে।
এমএম/